ডেস্ক রিপোর্ট | সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট | 3 বার পঠিত

ইরানের বিরুদ্ধে আবারও যুদ্ধ শুরু হলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি। তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট আরও তীব্র হওয়ার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অর্থনীতিতে বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের জ্বালানি কমিশনের প্রধান হোজ্জাতুল ইসলাম মুসা আহমাদি।
রোববার (২৫ অক্টোবর) ইরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
আহমাদি জানান, বিশ্ববাজারে ইতোমধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৭ ডলার ছাড়িয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুতও কমছে। এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহের সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলোকে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে।
তিনি বলেন, তেলের দাম বাড়লে শুধু জ্বালানি খাত নয়, পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয়ও বেড়ে যাবে। এর প্রভাব পড়বে সামগ্রিক অর্থনীতিতে। বিশেষ করে তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও তীব্র হতে পারে।
আহমাদির মতে, জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ভোক্তাদের সুরক্ষা দিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে বাড়তি চাপ সামলাতে হবে। সংকট যত দীর্ঘায়িত হবে, এর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিণতি মোকাবিলা করাও তত কঠিন হয়ে উঠবে।
ইরান তেলের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি চাপ বজায় রাখতে চায় উল্লেখ করে আহমাদি বলেন, জ্বালানি খাতে ইরানের কৌশলগত অবস্থান ও দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিরক্ষাসক্ষমতা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তেলের দাম কমতে না দিলে জ্বালানি সংকট দীর্ঘায়িত হবে এবং এতে ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যয় বাড়বে বলেও দাবি করেন তিনি।
এ ছাড়া ফ্রান্স, পর্তুগাল, আলবেনিয়া ও ইতালিসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশের জ্বালানিসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জের কথাও তুলে ধরেন আহমাদি। তাঁর সতর্কবার্তা, তেল সরবরাহে বিঘ্ন অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আরও চাপে পড়তে পারে।
সূত্র: মেহের নিউজ
Posted ৬:৫২ এএম | সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | Mr. Dulal
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।